Main Menu

মঙ্গলবার, জুলাই ১৪th, ২০২০

 

চীনের কাছ থেকে সস্তায় প্লেন কিনে বিপাকে নেপাল

কাঠমান্ডু, ১৫ জুলাই- ২০১১ সালে বাংলাদেশ ও নেপাল থেকে দু’টি পৃথক বিশেষজ্ঞ দল চীন গিয়েছিল বিশেষ কয়েকটি মডেলের প্লেনের বিষয়ে খোঁজ-খবর নিতে। বাংলাদেশি দলটি দেশে ফিরে ওই প্লেনগুলো ব্যবহারের অনুপযোগী প্রতিবেদন দিলেও উল্টো পথে যায় নেপাল। চীনের কাছ থেকে বিশেষ সুবিধায় মোট ছয়টি প্লেন কিনে নেয় তারা। ফলে যা হওয়ার তা-ই হয়েছে শেষপর্যন্ত। ঠিকঠাক ব্যবহার করতে না পেরে সেই প্লেনগুলো চিরতরে বসিয়ে রাখার ঘোষণা দিয়েছে নেপাল। নেপালের প্রভাবশালী গণমাধ্যম কাঠমাণ্ডু পোস্ট জানিয়েছে, চীনের কাছ থেকে কেনা ১৭ সিটের ওয়াই১২ই এবং ৫৬ সিটের এমএ৬০ প্লেন আর না ওড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে নেপালআরও পড়ুন


যুক্তরাজ্যে পুরোপুরি নিষিদ্ধ হুয়াওয়ের ফাইভ-জি নেটওয়ার্ক

লন্ডন, ১৫ জুলাই- যুক্তরাজ্যের মোবাইল ব্যবহারকারীদের চলতি বছর ডিসেম্বরের মধ্যে হুয়াওয়ের পণ্য কেনায় নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর এবার চীনা কোম্পানিটির ফাইভ-জি নেটওয়ার্ক পুরোপুরি নিষিদ্ধ ঘোষণা করলো ব্রিটিশ সরকার। দেশটির পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ হাউজ অব কমন্সের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ব্রিটিশ মোবাইল কোম্পানিগুলো হুয়াওয়ের ফাইভ-জি প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারবে না। ৩১ ডিসেম্বর থেকে চীনা টেক জায়ান্ট হুয়াওয়ের ফাইভ-জি প্রযুক্তির সামগ্রী কিনতে পারবে না ব্রিটিশ কোম্পানিগুলো। এ ছাড়াও ২০২৭ সালের মধ্যে হুয়াওয়ের ফাইভ-জি’র সব ধরনের সামগ্রী অপসারণ করতে হবে। তবে চীনা কোম্পানিটির টু-জি, থ্রি-জি এবং ফোর-জি প্রযুক্তি অপসারণ করা প্রয়োজন আছে বলে মনে করছে না যুক্তরাজ্য।আরও পড়ুন


১৭ বছর পর যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

ওয়াশিংটন, ১৫ জুলাই- সুপ্রিম কোর্টের অনুমতি পেয়ে প্রায় ১৭ বছর পর যুক্তরাষ্ট্রে প্রথমবারের মতো খুনের দায়ে অভিযুক্ত এক আসামির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। ড্যানিয়েল লুইস লি নামের এই আসামি খুনের দায়ে মৃত্যুদণ্ডের সাজা পেয়ে দীর্ঘদিন কারাবন্দি ছিলেন। এর আগে সোমবার দেশটির একটি আদালতের বিচারক অমীমাংসিত আইনি চ্যালেঞ্জের কারণে বেশ কিছু মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সাজা স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু দেশটির সুপ্রিম কোর্ট স্থগিতাদেশ বাতিল করে অনুমতি দেয়ায় ড্যানিয়েলের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। বিভিন্ন মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের যুক্তি ছিল, প্রাণঘাতী ইনজেকশন প্রয়োগ করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর ‘অমানবিক’ এবং ‘অপ্রচলিত সাজা’। এই পদ্ধতির বিরুদ্ধেআরও পড়ুন


চট্টগ্রাম বন্দরে প্রবৃদ্ধি বেড়েছে

করোনা মহামারির মধ্যে প্রবৃদ্ধি ধরে রেখেছে দেশের আমদানী-রফতানী বাণিজ্যের প্রধান কেন্দ্র বিন্দু চট্টগ্রাম বন্দর। করোনা সংক্রমণের কারণে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকেই দেশের আমদানি-রফতানি বাণিজ্যে কিছুটা ভাটা পড়ে। বছরের শুরুতে বন্ধ হয়ে যায় চীন থেকে আমদানি। ধাক্কা লাগে রফতানি ব্যাণিজ্যে। এরপরও বৈরি পরিবেশে পুরো মাত্রায় সচল ছিল চট্টগ্রাম বন্দর। আগের বছরের তুলনায় সদ্য শেষ হওয়া অর্থ বছরের শেষ ছয় মাসে প্রবৃদ্ধি বেড়েছে আট দশমিক ১৩ শতাংশ। কন্টেইনার উঠা-নামা, কার্গো হ্যান্ডলিং এবং জাহাজের আসা যাওয়া বেড়েছে বলে জানান বন্দর সচিব মোহাম্মদ ওমর ফরুক।এদিকে, করোনার কারনে বিশ্ব বাণিজ্যে কিছুটা স্থবিরতা তৈরী হলেও ২০১৯-২০আরও পড়ুন


৩৫ দিন সমুদ্রে থেকেও করোনা পজিটিভ ৫৭ নাবিক

বুয়েনোস আইরেস, ১৫ জুলাই- বন্দর ছেড়ে যাওয়ার আগে সবার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে তাদের করোনা নেগেটিভ আসে। এরপর ট্রলার নিয়ে সমুদ্রে যাত্রা করেন ৬১ জন নাবিক। কিন্তু টানা ৩৫ দিন সমুদ্রে থাকার পর তাদের শরীরে করোনাভাইরাসের উপসর্গ দেখা যায়। বন্দরে ফিরিয়ে এনে আবারও স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। এবার তাদের ৫৭ জনের করোনা নেগেটিভ প্রতিবেদন আসে। ৩৫ দিন সমুদ্রে থাকার পরও আর্জেন্টিনার এই ৫৭ নাবিক কীভাবে করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হলেন, তা নিয়ে জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়েছে। বিষয়টিকে ‘রহস্যজনক’ বলে মনে করছেন দেশটির চিকিৎসকরা। এ ঘটনায় অবাক তারা। সোমবার (১৩ জুলাই)আরও পড়ুন