Main Menu

শনিবার, অগাস্ট ২৫th, ২০১৮

 

আনুশকার বসে থাকার ভঙ্গিটিতে রয়েছে গ্রাম্য ছাপ

বিনোদন ডেস্কঃ এবার ভাইরাল তালিকায় যুক্ত হলেন বলিউডের অভিনেত্রী আনুশকা শর্মা। অনুশকার দুটি ছবি ভাইরাল হয়ে গেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকসহ অন্য স্যোশাল মিডিয়ায়। বরুণ ধবন ও আনুশকা শর্মার আগামী ছবি ‘সুই ধাগা’র স্টিল দিয়ে তৈরি হয়েছে নানা মিম। মূলত দু’টি ছবি। একটি আনুশকার হাস্যমুখের ছবি। অন্যটি আনুশকার বসে থাকার ছবি। সেই বসে থাকার ভঙ্গিটিতে গ্রাম্য ছাপ রয়েছে। সেই দুটি ছবিকেই নানা দৃশ্যের সঙ্গে মিলিয়ে দেখানো হয়েছে মিমে। কখনো মাঠে ফিল্ডিংরত কোহলির পাশে বাউন্ডারির ধারে। কখনো কোনো চায়ের দোকানের পাশে। কখনো ট্রাম্প ও থেরেসা মেসহ অন্যান্য দেশের রাষ্ট্রনায়কদের সঙ্গে। এমনকি ‘মারিওআরও পড়ুন


ঈদের তৃতীয় দিনে কুয়াকাটায় হাজারো মানুষের ঢল

রাসেল মোল্লা,কলাপাড়া পটুয়াখালী প্রতিনিধি: দেশের দ্বিতীয় পর্যাটন কেন্দ্র কুয়াকাটায় ঈদের ছুটিতে হাজারো মানুষের ঢল। দেশের বিভিন্না প্রান্ত থেকে আসা সকল দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত। গরমের তীব্রতায় সকল দর্শনার্থীদের সমুদ্রের বাধা হয়ে দাড়ানোর ইচ্ছাটা সবার। গাজীপুর থেকে আসা পর্যাটক তরিক আহমেদ মিজান বলেন, সত্যি কুয়াকাটা সৌন্দর্যের ভান্ডার।আমি আগে নাম শুনছি কুয়াকাটা এবার ঈদের ছুটিতে এসে দেখলাম কুয়াকাটাকে। যদি সরকার কুয়াকাটাকে আরো উন্নত করে তাহলে কুয়াকাটা হবে দেশের শ্রেষ্ঠ আকর্ষণীয় স্থান। কুয়াকাটায় আমবস্যার জোয়ারে উপচে পড়া গাছ আর সমুদ্রের বিলিন হওয়া ভবনের পড়ে থাকা ইটের খুটি পর্যাটকে সমুদ্র দেখতে বাধা সৃষ্টি করে। এ সমস্তআরও পড়ুন


গণতন্ত্রকে হত্যা করা বিএনপির একমাত্র কাজ- তথ্যমন্ত্রী

কুষ্টিয়া প্রতিনিধিঃ জাসদ সভাপতি ও তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, বিএনপি এমন একটি দল যা গণতন্ত্রের সঙ্গে যায় না। কারণ তাদের নেত্রী খালেদা জিয়া গণতন্ত্রের মা নয়। উনি আসলে জঙ্গি রাজাকারতন্ত্রের আসল মা আর গণতন্ত্রের সৎমা। শুক্রবার দুপুর ১২টায় কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার গোলাপনগরে নিজ বাসভবনে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। ইনু বলেন, গণতন্ত্রকে হত্যা করা, নির্বাচন বানচাল করা ও খুনিদের রক্ষা করায় হচ্ছে বিএনপির একমাত্র কাজ। এর বাইরে তাদের কোনো কাজ নেই। তিনি বলেন, খালেদা জিয়াকে নিয়ে নির্বাচন করতে হবে এই শর্ত যারা দেন তারা কার্যতআরও পড়ুন


রোহিঙ্গা নির্মূলের বর্ষপূর্তি আজ

স্টাফ রিপোর্টারঃ যখন সশস্ত্র লোকজন দক্ষিণ মিয়ানমারের গ্রামে গ্রামে হানা দেয়া শুরু করে, ৩৩ বছর বয়সী রোহিঙ্গা নারী আনোয়ারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন- হানাদারদের কবল থেকে কীভাবে তিনি তার ছয়টি শিশু রক্ষা করবেন। পরে যখন গ্রামবাসী তার স্বামীর মরদেহ নিয়ে আসেন, তখন তিনি ভাবতে থাকেন, কীভাবে পরিবার নিয়ে পালিয়ে যাবেন। স্কুল থেকে ফেরার পথে তার শিক্ষক স্বামীকে হত্যা করে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। এর পর তারা প্রতিবেশী বাংলাদেশে পালিয়ে আসেন। প্রথমে পায়ে হেঁটে, পরে নৌকায়। বেঁচে থাকার তাগিদে তিনি যেন সবকিছু ভুলে গিয়েছিলেন। পালাতেই হবে-এর বাইরে তিনি কিছু ভাবতে পারছিলেন না। তিনি বলেন,আরও পড়ুন