Main Menu

বৃহস্পতিবার, অগাস্ট ২৩rd, ২০১৮

 

বরিশালে গরু জবাইকে কেন্দ্র করে কৃষকের গলা কাটলেন কসাই

বরিশাল ব্যুরোঃ বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার কাজীরহাটের পশ্চিম রতনপুর গ্রামে কোরবানির গরু জবাইকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অলি ঘরামি (৪৫) নামের এক কৃষকের গলা কেটে দিলেন কসাই। এ সময় অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার সকাল ৯টার দিকে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নিহত অলি ঘরামি পশ্চিম রতনপুর গ্রামের মৃত মজিদ ঘরামির ছেলে। আটকরা হলেন পশ্চিম রতনপুর গ্রামের শাহ আলম ও তার ভাইয়ের স্ত্রী শারমিন বেগম। কাজীরহাট থানা পুলিশের ওসি হারুন আর রশিদ বলেন, ঈদের নামাজ শেষে বাড়ির পাশের খালের ঘাটে গরু কোরবানি করতে যান শাহআরও পড়ুন


অবহেলায় নষ্ট হচ্ছে ২০ শতাংশ কাঁচা চামড়া

অর্থনৈতিক ডেস্কঃ কোরবানির মৌসুমে ১৮ থেকে ২০ শতাংশ কাঁচা চামড়া অবহেলায় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এতে প্রাণিসম্পদ খাতে দেশ প্রতি বছর ৩৬৫ কোটি টাকার ক্ষতির মুখোমুখি হচ্ছে। পশু জবাইয়ের পর আনাড়ি হাতে শরীর থেকে চামড়া ছাড়াতে গিয়েই এ দশা হয়। এছাড়া প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে চামড়ার পরিবহনে রয়েছে চরম অব্যবস্থাপনা। সঠিক সময়ে পরিমাণমতো লবণ দেয়ায় রয়েছে কার্পণ্যভাব ও উদাসীনতা। এছাড়া সঠিক তাপমাত্রায় লবণজাত চামড়ার রক্ষণাবেক্ষণেও থাকে নানা ঘাটতি। এসব কারণে কোরবানির মৌসুমে সংগৃহীত বিপুল পরিমাণ চামড়া নানাভাবে তার গুণাগুণ হারাচ্ছে। ফলে প্রক্রিয়াজাত পর্যায়ে তা ফেটে ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। চামড়াবিষয়ক বিভিন্ন গবেষণায়আরও পড়ুন


স্বজনদের রান্না খাবারও খেতে দেয়া হল না খালেদা জিয়াকে

স্টাফ রিপোর্টারঃ কারাবন্দী বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সঙ্গে স্বজনরা দেখা করার সুযোগ পেলেও বাসা থেকে ঈদুল আজহা উপলক্ষে আনা খাবার ভেতরে নিতে দেয়নি কর্তৃপক্ষ। তার বোন সেলিনা ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, খালেদা জিয়া শারীরিক ভাবে সুস্থ নন। তিনি তাদের মাধ্যমে দেশবাসীকে এবং দলীয় নেতা-কর্মীদের ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করে বাইরে এসে সেলিনা ইসলাম বলেন, তারা অনুমতি নিয়েই খালেদা জিয়ার জন্য বাসা থেকে খাবার নিয়েছিলেন। কিন্তু কর্তৃপক্ষ তা গ্রহণ করেননি। তিনি বলেন, খালেদা জিয়া অসুস্থ। বাসার খাবার নিতে না দেয়ায় ঈদের দিন বিকেল পর্যন্ত তিনি কিছুআরও পড়ুন


আবারও সূচির মিথ্যাচার

স্টাফ রিপোর্টারঃ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন আটকে থাকার জন্য বাংলাদেশকে দায়ী করে মঙ্গলবার সিঙ্গাপুরে মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সূ চি যে বক্তব্য দিয়েছেন-তাতে হতাশ হয়েছে বাংলাদেশ। তার ওই বক্তব্যে বাংলাদেশের একাধিক কর্মকর্তা ক্ষোভ ও বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। খবর বিবিসির। সরকারি কর্মকর্তারা বলেছেন, নভেম্বরে সই হওয়া প্রত্যাবাসন চুক্তির ১০ মাস পরেও প্রধান কোনো শর্তই মিয়ানমার বাস্তাবায়ন করেনি। তারা বলেন, দুটি অভ্যর্থনা ক্যাম্প এবং একটি ট্রানজিট ক্যাম্প তৈরি করা ছাড়া কিছুই করেনি মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ। মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সূ চি সিঙ্গাপুরে এক অনুষ্ঠানে বলেছেন, মিয়ানমার শরণার্থীদের নিতে প্রস্তুত, তাদের পুনর্বাসনের জন্য জায়গাও ঠিক হয়েছে।আরও পড়ুন