Main Menu

মঙ্গলবার, অগাস্ট ২২nd, ২০১৭

 

নায়করাজ রাজ্জাকের মৃত্যুর খবর যেন মানতেই চাইছেন না তার নায়িকারা

স্টাফ রিপোর্টারঃ আর নেই নায়করাজ রাজ্জাক। আজ সোমবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টা ১৩ মিনিটে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন তিনি। তার মৃত্যুর খবর যেন মানতেই চাইছেন না কেউ। যার সঙ্গেই যোগাযোগ করা হচ্ছে সেই পাল্টা প্রশ্ন করছেন খবরটা সত্যি তো? নাকি গুজব। রাজ্জাকের নায়ক হিসেবে প্রথম ছবি ‘বেহুলা’। জহির রায়হান পরিচালিত সেই ছবিতে তার নায়িকা ছিলেন সুচন্দা। তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তার কণ্ঠ বেশ ভারী শোনা গেল। জানতে চাইলেন, ‘বিশ্বাসই করতে পারছি না রাজ্জাক সাহেব নেই। প্রথমবার শুনে ভাবছি গুজব। এমনটা তো আগেও হয়েছে। প্লিজ, বলুন যে এটাও গুজব। তারআরও পড়ুন


কিংবদন্তী অভিনেতা নায়ক রাজ রাজ্জাক আর নেই

বিনোদন ডেস্কঃ ভারত থেকে শরণার্থী হয়ে এসেছিলেন বাংলাদেশে নায়ক রাজ রাজ্জাক। কারণ, কলকাতায় মুসলিম ঘরে জন্ম নেয়ায় মুম্বাইয়ের হিন্দি সিনেমা এবং টালিগঞ্জের বাংলা সিনেমায় অভিনয় করতে গিয়ে প্রচন্ডভাবে হন উপেক্ষিত; সেখানে সবকিছুতেই হিন্দুদের প্রাধান্য দেয়া হয়। খ্যাতির প্রত্যাশায় জন্মগত মুসলিম নাম ঢেকে দিয়ে মোহাম্মদ ইউসুফ খান হিন্দু নাম দীলিপ কুমার ধারণ করলেও সে পথে হাঁটেননি রাজ্জাক। ভারতের সাংস্কৃতি পরিমন্ডলে ধর্মগত কারণে প্রতিভাবান মুসলমানদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য কিশোর রাজ্জাকের মনে দাগ কাটে। মাথায় মস্তবড় অভিনেতা হওয়ার নেশা। সংসারে বাবা-মা নেই। এক সময় শরণার্থীর তালিকায় নাম লিখিয়ে চলে আসেন মুসলমানের বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়। অতপরেরআরও পড়ুন


সরকারের প্রচন্ড চাপ এসকে সিনহা কি সহ্য করতে পারবেন?

সম্পাদকীয়ঃ বিচার বিভাগ, বিশেষ করে উচ্চ আদালত এবং সরকারের এই বিরোধ শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে শেষ হবে সেটি এখন কেউ বলতে পারছেন না। উচ্চ আদালত, বিশেষ করে প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে সরকারি দল মনে হয় রীতিমতো ক্রুসেডে নেমেছে। এমন কোনো দিন নেই যেদিন আওয়ামী লীগ বা সরকারের কোনো না কোনো মন্ত্রী বা বড় নেতা প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে বিষ উদ্গীরন না করছেন। প্রথমে শুরু হয়েছিল জাতীয় সংসদের অধিবেশনে এই বিষোদগার। প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে আওয়ামী লীগের সমস্ত বড় বড় নেতা এবং মন্ত্রী হেন কোনো আক্রমণ নেই যেটা তারা করেননি। মতিয়া চৌধুরী ছাত্র ইউনিয়ন এবং কমিউনিস্টআরও পড়ুন


সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে ইসলাম, কৃষ্টি,দেশ রক্ষা করতে হবে- এরশাদ

স্টাফ রিপোর্টারঃ সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেছেন, ‘আজ আমাদের সন্ত্রাসী বলা হয়, জঙ্গি বলা হয়; কী কারণে জঙ্গি হলাম আমরা? আমরা তো আগে জঙ্গি ছিলাম না, আমার সময়ে তো কোনো সন্ত্রাসী-জঙ্গি ছিল না, তবে আজ কেন বলা হচ্ছে? আমরা কোথায় আছি?’ তিনি আরও বলেন, ‘এর কারণ দেশের ইসলামী দলগুলোর মধ্যে একতা নেই। আমাদের একত্রিত হতে হবে। সামনে বিরাট পরীক্ষা, ভয়ংকর বিপদ। যদি বাঁচতে হয় সবাইকে এক হতে হবে। উদ্দেশ্য একটাই- ইসলাম, কৃষ্টি, দেশ রক্ষা করা।’ রাজধানীর বনানীতে জাতীয় পার্টির কার্যালয়ে সোমবার জাতীয় ওলামা পার্টি আয়োজিত ‘ইসলাম,আরও পড়ুন


বিচার বিভাগের বিরুদ্ধে অবস্থান নিলে ক্ষমতাসীন দলকে চরম মূল্য দিতে হবে-মওদুদ

স্টাফ রিপোর্টারঃ  ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ায় ভবিষ্যতে বর্তমান সরকার ও Cতাসীন দলকে ‘করুণ পরিণতির মাধ্যমে’ মূল্য দিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ। সোমবার বিকালে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক দোয়া মাহফিলে অংশ নিয়ে তিনি একথা বলেন। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি এ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে। মওদুদ আহমদ বলেন, ‘সরকার ও সরকারি দলের মূল উদ্দেশ্য ভয়-ভীতি ও শঙ্কা সৃষ্টি করে বিচার বিভাগকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখা। আর তাই সরকার প্রধান থেকে শুরু করে সরকারি দলের মন্ত্রিপরিষদ এই রায়ের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তুলতে উঠেআরও পড়ুন