Main Menu

৯০ বছর বয়সে ‘স্টার ট্রেক’ অভিনেতা শ্যাটনারের বাস্তবে মহাকাশ ভ্রমণ


স্টার ট্রেক এর জনপ্রিয় চরিত্র ক্যাপ্টেন কার্ক নামে পরিচিতি পাওয়া খ্যাতমান অভিনেতা উইলিয়াম শ্যাটনার বুধবার বাস্তবেই তার জীবনে প্রথমবারের মতো মহাকাশ ভ্রমন করেছেন। এর মাধ্যমে নব্বই-বছর বয়সী এই অভিনেতা হলেন বিশ্বের সবচেয়ে বয়োঃবৃদ্ধ মহাকাশ যাত্রী। গ্রামীন টেক্সাসের মহাকাশ-বন্দরে তাঁর এই যাত্রায় কিছু লোক বিস্ময়ে আনন্দ প্রকাশ করেছেন।

এটি জেফ বেজোসের ব্লু অরিজিন থেকে মহাকাশে দ্বিতীয় যাত্রীবাহী ফ্লাইট। আরো তিনজনের সাথে অভিনেতা শাটনারের ১০ মিনিটের এই যাত্রা “স্টার ট্রেক” এ স্টারশিপ এন্টারপ্রাইজের কাল্পনিক গ্যালাকটিক ভ্রমণের মত না হলেও, এটিকে তুলনা করা যায় ১৯৬০ সালে প্রথম মহাকাশে রকেট উৎক্ষেপণের সাথে।

তবে শাটনার যে বাস্তবেই পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল ত্যাগ করে মহাকাশে গেলেন এই ধারণাটিই মহাকাশ যাত্রার ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

হলিউড অভিনেতা উইলিয়াম শ্যাটনার তার মহাকাশযানের অন্যান্য মাহাকাশচারীদের সাথে। অক্টোবর, ২০২১, ছবি-এপি

হলিউড অভিনেতা উইলিয়াম শ্যাটনার তার মহাকাশযানের অন্যান্য মাহাকাশচারীদের সাথে। অক্টোবর, ২০২১, ছবি-এপি

ভ্যান হর্নের মেয়র বেকি ব্রিউস্টার বলেন, “এখন সময় এসেছে বাস্তবেই ক্যাপ্টেন কার্কের মহাকাশে যাবার। তিনি বলেন তিনি ভীষণভাবে উচ্ছ্বসিত। বেকি ব্রিউস্টার একটি গ্রামীণ শহর ভ্যান হর্নের মেয়র। সুদূর পশ্চিম টেক্সাসে অবস্থিত এই শহরে প্রায় ১৮০০ মানুষের বসতি। মরুভূমির বিস্তৃত ভূমির এ এলাকায় এক সময় গরু চরানো হত। ২৫ মাইল দূরে সেখানে এখন ব্লু অরিজিন রকেট উতক্ষেপণের স্থানে রূপান্তরিত হয়েছে।

মেয়র, আজীবন “স্টার ট্রেক” ভক্ত, তিনি হতাশ যে তিনি লঞ্চ সাইটে আমন্ত্রণ পাননি। যাই হোক না কেন, তিনি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি এই মুহূর্ত উপভোগ করবেন। তিনি তার বাড়ির উঠোন থেকে এবং লাইভস্ট্রিমে এই মহাকাশ ভ্রমনের দৃশ্য উপভোগ করেছেন।

মহাকাশ ভ্রমণ শেষে তাদের ক্যাপসুলটি যখন পৃথিবীতে ফিরে আসে এবং পৃথিবীর মাটিতে অবতরণ করে তখন জেফ বেজোস নিজেই ক্যাপসুলের দরজাটি খুলে শ্যাটনার সহ অন্য তিন আরোহীকে স্বাগত জানায়। ক্যাপসুল থেকে বের হয়ে উইলিয়াম শ্যাটনার বলেন তিনি আবেগে আপ্লুত।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: