Main Menu

মৃত্যুর নিম্নমুখী ধারা ধরে রাখতেই হবে


করোনাভাইরাস মহামারির প্রকোপ দেশে এখন অনেকটাই কমতে শুরু করেছে। শুক্রবার করোনায় গত ৩ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন মৃত্যু হয়েছে। বেশ কয়েকমাস যাবৎ উর্ধ্বমুখী ধারার পর মৃত্যু ও শনাক্ত কমে আসা অবশ্যই ইতিবাচক।

চ্যানেল আই অনলাইনের প্রতিবেদনে জানা যায়: শুক্রবারের আগে সর্বনিম্ন ৩৬ জনের মৃত্যুর কথা গত ৯ জুন জানিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। গত ৫ আগস্ট দেশে সর্বোচ্চ ২৬৪ জন রোগী মারা যায়। গত ২৮ জুলাই সর্বোচ্চ শনাক্ত হয় ১৬ হাজার ২৩০ জন।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

এরমধ্যেই আরেকটি সুখবর জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। ভারত সফর শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন: অক্টোবর থেকে ভারতে ভ্যাকসিন উৎপাদন জোরদার হবে। তখন বাংলাদেশের সাথে চুক্তি অনুযায়ী ভারত ভ্যাকসিন সরবরাহ করবে।

বিজ্ঞাপন

এছাড়াও জাতিসংঘ সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে টিকা সংগ্রহ করা হয়েছে এবং এখনও সংগ্রহ করা হচ্ছে। করোনাভাইরাস মোকাবেলায় টিকার বিকল্প নেই। সরকারের নিরলস প্রচেষ্টা প্রশংসনীয়। ভারত থেকে টিকা আসা শুরু করলে দেশে চলমান মহামারি মোকাবেলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেই আমাদের বিশ্বাস। এছাড়া কয়েকমাসের মধ্যেই বাংলাদেশও পুরোদমে করোনার ভ্যাকসিন উৎপাদনে যাবে। এর ফলে করোনা প্রতিরোধে নতুন গতি সঞ্চার হবে। এরপরও করোনা মোকাবেলায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিকল্প নেই। অথচ এখন মাস্ক পরাসহ স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের শিথিলতা দৃশ্যমান। এটা কোনভাবেই কাম্য নয়।

করোনাভাইরাসের এমন পরিস্থিতির মধ্যেই মরার ওপর খাঁড়ার ঘা হিসেবে দেখা দিয়েছে ডেঙ্গু জ্বর। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের তথ্যমতে: ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে আরও ২৪৮ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ১৩ হাজার ২৫৫ জন। এ যাবত ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

ডেঙ্গু পরিস্থিতির উন্নতিসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং টিকা কর্মসূচির মাধ্যমে করোনায় মৃত্যু কমানোর ধারা অব্যাহত রাখতে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।

বিজ্ঞাপন








Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: