Main Menu

চন্দ্রিমা উদ্যানে জিয়াউর রহমানের সমাধি নিয়ে আওয়ামী লীগ এবং বিএনপির পাল্টাপাল্টি বক্তব্য


জিয়াউর রহমানের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ, চন্দ্রিমা উদ্যানে তার সমাধি এবং বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বিএনপি। একই সাথে এসব নির্লজ্জ মিথ্যাচার বন্ধেরও আহবান জানানো হয়েছে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির ভার্চুয়াল সভার সিদ্ধান্ত উল্লেখ করে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আজ শনিবার গুলশানের বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, জনগণের দৃষ্টি ভিন্নখাতে নেয়ার জন্যই জিয়াউর রহমানের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ ও চন্দ্রিমা উদ্যানে তার সমাধি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী মিথ্যাচার করেছেন। এর আগে, বৃহস্পতিবার জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে দলীয় এক অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জিয়াউর রহমানের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। জিয়া কোথায় যুদ্ধ করেছেন সেই প্রমাণ নেই বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে চন্দ্রিমা উদ্যানে জিয়াউর রহমানের লাশ নেই বলেও মন্তব্য করেন শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগ প্রধানের  এমন বক্তব্যের  পর পরই  দলের নেতারা ভিভিন্ন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিধ্বনি করে একই ধরেন বক্তব্য দিতে থাকেন।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক

ওদিকে, বৃহস্পতিবার দুপুরে গাজীপুর সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক সাংবাদিকদের বলেছেন   চন্দ্রিমা উদ্যান থেকে জিয়াউর রহমানের সমাধি সরিয়ে নেওয়া হবে। আ ক ম মোজাম্মেল হকও বলেছেন,  চন্দ্রিমা উদ্যানের  মাজারে  জিয়াউর রহমানের লাশ নেই। তাকে ব্রাশফায়ার করে হত্যার পর মৃতদেহ পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে।

শুক্রবার ভিন্ন এক অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘আমি রাঙ্গুনিয়ার মানুষ। রাঙ্গুনিয়ার পোমরা ইউনিয়নে নাকি জিয়াউর রহমানকে প্রথম কবর দেওয়া হয়েছিল। সেখানে জিয়াউর রহমানকে কবর দিতে কেউ দেখেনি, একটা বাক্স দেখেছিল মাত্র।’ 

বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানকে  নিয়ে প্রধানমন্ত্রী সহ আওয়ামীলীগ নেতাদের এ সব বক্তব্যের জবাবে আজকের  সংবাদ সম্মেলনে  বিএনপি মহাসচিব বলেন, তারা যে রাজনীতিতে দেউলিয়া হয়ে গেছে এটাই বড় প্রমাণ। তাদের এসব কথা বলার মানে হচ্ছে তারা কিছু ইস্যু তৈরি করছে। এটা মানুষের দৃষ্টিকে অন্যদিকে নিয়ে যাওয়ার প্রচেষ্টা মাত্র। এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, শুধু বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে নয়, সমগ্র দেশে বিএনপির নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে যে সমস্ত মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছিল সেই মামলাগুলোকে আবার সামনে নিয়ে আসা হচ্ছে। এগুলো হচ্ছে বিএনপিকে রাজনীতি ও নির্বাচন থেকে দূরে সরিয়ে রাখার নীল নকশা। দু’বছর পরে যে জাতীয় নির্বাচন তা থেকে দূরে সরিয়ে রাখার চক্রান্ত হিসেবে বিএনপির নেতা-কর্মীদের জেলহাজতে পাঠানো হচ্ছে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা নিয়ে সরকারের টালবাহান প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব বলেন, করোনা কিংবা শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কারণে নয়, বরং শিক্ষাঙ্গনে  আন্দোলন ঠেকানোর জন্য তারা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে রেখেছে।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *