Main Menu

আফগানিস্তান বিষয়ে সন্ত্রাস দমন ও মানবিক সহায়তার উপর জোর দিল যুক্তরাষ্ট্র



হোয়াইট হাউজ মঙ্গলবার জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বিশ্বের সবচেয়ে ধনী দেশগুলোর নেতাদের সঙ্গে একটি ভার্চুয়াল বৈঠক করেছেন যেখানে আফগানিস্তানকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার জন্য চাপ দেয়া হয়।আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্র সৈন্য প্রত্যাহার করার পর এবং তালিবান ক্ষমতা গ্রহণের পর এই দরিদ্র জাতি মানবিক সংকটের মুখোমুখি হয়েছে।

হোয়াইট হাউজের প্রেস সচিব জেন সাকি মঙ্গলবার জি-২০ নেতাদের উদ্দেশ্যে যে আহ্বান জানানো হয় সেটিকে “সন্ত্রাসবাদ বিরোধী প্রচেষ্টা এবং আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তা প্রদানের প্রচেষ্টা নিয়ে আলোচনা করার জন্য “একটি গঠনমূলক সুযোগ” হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

আগস্টের শেষের দিকে আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্র সৈন্য প্রত্যাহারের পর এই ধরনের আন্তর্জাতিক নেতাদের বৈঠক এই প্রথম অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এছাড়াও গত সপ্তাহে, যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কর্মকর্তারা নতুন তালিবান শাসনের নেতাদের সঙ্গে প্রথম প্রত্যক্ষ আলোচনার জন্য কাতারের দোহায় গিয়েছিলেন। কোনো চুক্তি হয়েছে কিনা, সে সম্পর্কে কোনো পক্ষই কোন তথ্য দেয়নি। তবে যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তানের সরকার হিসেবে তালিবানের বৈধতাকে সরকারীভাবে স্বীকৃতি দেওয়া থেকে বিরত রয়েছে।

মঙ্গলবারের বৈঠকের পর এক বিবৃতিতে হোয়াইট হাউজ জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র “আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।আফগানিস্তানের পরিস্থিতি মোকাবেলা এবং আফগান জনগণকে সাহায্য করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক, মানবিক ও অর্থনৈতিক পন্থা ব্যবহার করবে।”

মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তানের জন্য কোন নতুন অর্থায়নের ঘোষণা করেনি বা কিভাবে এই প্রতিশ্রুতিগুলি পূরণ করবে সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোন ব্যাখ্যা দেয়নি। কিন্তু সাকি জোর দিয়ে বলেন যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে সবচেয়ে বড় একক মানবিক দাতা হিসেবে এই বছর আফগানিস্তানকে ৩৩ কোটি ডলারেরও বেশি অর্থ প্রদান করেছে।

তিনি বলেন, “আমরা আফগান জনগণের দুঃখ-দুর্দশা দূর করার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ অব্যাহত রাখব এবং অন্যান্য দাতাদের তাদের অনুদান আরও বাড়ানোর জন্য আহ্বান জানাবো।”

জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস হুঁশিয়ার করে বলেছেন, আফগানিস্তান ‘মেক-অর-ব্রেক’ অর্থাৎ হয় তারা নতুনভাবে গঠিত হয়ে আবির্ভূত হবে নতুবা পুরো ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়বে এমন মুহূর্তের মুখোমুখি হচ্ছে।

মঙ্গলবার নেতারা একত্রিত হওয়ার আগে তিনি বলেন, “আমরা যদি আফগানদের এই ঝড় মোকাবেলায় সাহায্য না করি এবং শীঘ্রই পদক্ষেপ না নিই , তাহলে শুধু তারা নয়, পুরো বিশ্ব এর চরম মূল্য দেবে।”

তালিবান আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ নেবার আগে, আফগানিস্তানের রাষ্ট্রীয় ব্যয়ের ৭৫% উৎস ছিল আন্তর্জাতিক সাহায্য থেকে। কিন্তু সরকার এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলি এই ধরনের তহবিল বন্ধ করে দিয়েছে এবং আফগানিস্তানের সম্পদ জব্দ করেছে।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: